যুদ্ধের মাঠে আইআরজিসির কঠোর বার্তা



 





যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক চাপ এবং শীর্ষ কমান্ডারদের ক্ষয়ক্ষতির পরও ইরানের ইসলামি রেভোল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) যুদ্ধকালীন সিদ্ধান্ত গ্রহণে নিজেদের প্রভাব আরও জোরালো করেছে। বিভিন্ন উচ্চপদস্থ সূত্রের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে তেহরানের পক্ষ থেকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পেছনে আইআরজিসির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।



জানা গেছে, নেতৃত্বে শূন্যতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থেকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা শুরুর আগেই আইআরজিসি মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের হাতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তুলে দেয়। এই কৌশল প্রতিরোধকে দ্রুততর করলেও এতে কিছু ঝুঁকিও রয়েছে। বিশেষ করে মধ্যম সারির কর্মকর্তাদের সীমান্তের বাইরে হামলার ক্ষমতা দেওয়ায় ভুল বোঝাবুঝি বা সংঘাত বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।



সম্প্রতি তুরস্কে ইরানের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ উঠলেও তেহরান তা অস্বীকার করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনায় আইআরজিসির শক্ত অবস্থান দেশটিতে বড় ধরনের বিক্ষোভ বা সরকারবিরোধী আন্দোলনের সম্ভাবনা কমিয়ে দিয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের প্রত্যাশার সঙ্গে মেলেনি।



গবেষক কাসরা আরাবির মতে, যদি বর্তমান শাসনব্যবস্থা টিকে থাকে, তবে ভবিষ্যতে আইআরজিসির প্রভাব আরও বাড়তে পারে। যদিও বাহিনীর ভেতরে কিছু মতভেদ রয়েছে, তবুও বাইরের হামলার মুখে তারা সাধারণত আরও ঐক্যবদ্ধ হয়ে ওঠে।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url