দু-এক দিনের মধ্যেই নির্বাচিত হবেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা
ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্বে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার পর উত্তরাধিকার সূচনায় কার্যত গতি এসেছে বলে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন। সংবিধান অনুসারে নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং তিনি মনে করেন খুব দ্রুতই নতুন সর্বোচ্চ নেতা ঠিক হয়ে যাবে। আরাগচি জানান, বর্তমান সময়ে প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগীয় প্রধান ও অভিভাবক পরিষদের একজন ফকিহ নিয়ে গঠিত তিন সদস্যের অন্তর্বর্তী কাউন্সিল নেতৃত্বের দায়িত্ব সামলাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞ পরিষদ বা অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে স্থায়ী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আর আগারচি। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও টেলিভিশনে এ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন এবং খামেনির নিহত হওয়ার ঘটনাকে ‘বিশাল অপরাধ’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি সাত দিনের সরকারি ছুটি এবং ৪০ দিনের শোককাল ঘোষণা করেছেন।
৮৬ বছর বয়সের খামেনি শনিবার মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন, যেখানে তার পরিবারের সদস্যসহ বহুজন প্রাণ হারিয়েছে। ১৯৮৯ সালের রুহুল্লাহ খোমেনির পর এবার বিশেষজ্ঞ পরিষদই সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নতুন নেতা বেছে নেবে। আরাগচি এই হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের প্রতিক্রিয়া ব্যতীত লঙ্ঘন বলে কটাক্ষ করেছেন এবং সতর্ক করেছেন, পরিস্থিতি এখন আগের থেকে আরও বিপজ্জনক ও জটিল। তিনি দাবি করেছেন, ইরান আত্মসমর্পণ করবে না এবং অতীতের মতো স্থিতিশীলতার জন্য লড়াই করবে। পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ হামলাকে ‘রেড লাইন’ পার হওয়া ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিশোধের কথা বলেছেন। এছাড়া উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ওমান, দুবাই ও দোহার মতো অঞ্চলে পালটা হামলার খবরে উদ্বেগ বাড়েছে। আরাগচি পুনরায় 강조 করেছেন, ইরান কোনোভাবেই প্রতিবেশী দেশগুলোকে টার্গেট করতে চায় না, বরং তাদের ওপর চাপ না দিয়ে হামলাকারীদের নিবৃত্ত করার আহ্বান জানান।
